মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর
  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

ক্রমিক নং

সেবা সমূহ

সেবা গ্রহণকারী

সেবা দানের সময়সীমা

মন্তব্য

জনসাধারণের অভাব-অভিযোগ গ্রহণ এবং সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ

কৃষক/

খামারী

সকাল ০৯.০০

হতে বিকাল ০৫.০০ টা পর্যন্ত

 

বিভাগীয় পরামর্শ প্রদান করা

 

গবাদি প্রাণি ও হাঁস-মুরগী খামার রেজিষ্ট্রেশনের ব্যবস্থা

 

খামার / উপজেলা অফিস সমূহ / কৃত্রিম প্রজনন উপকেন্দ্র / পয়েন্ট পরিদর্শন ও জনগণকে পরামর্শ দান

 

প্রাকৃতিক দূর্যোগকালীন স্থানীয় প্রশাসন, জন প্রতিনিধি ও বেসরকারী সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের সহযোগীতায় অধিদপ্তরের জরুরী সেবা প্রদান করা

জরুরী মেডিকেল টিম প্রেরণ জরুরী প্রয়োজনে যে কোন সময়

উপজেলা সমূহে টিকা ও ঔষধসহ অন্যান্য উপকরণাদি যথা সময়ে  সরবরাহ নিশ্চিত করণ

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা / প্রতিনিধি

 

 

 

সেবা প্রদানকারীঃ-

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, কুমিল্ল­া।

টেলিফোন নং- ০৮১-৭৬২৩৫

 

যথাসময়ে সেবা পাওয়া না গেলে যার সহায়তা চাইবেনঃ-

উপ-পরিচালক, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর,

চট্রগ্রাম বিভাগ, চট্রগ্রাম।

টেলিফোন নং-০৩১-৬৫৯১৬৮

ছবি নাম মোবাইল
ডাঃ পবিত্র কুমার সাহা ০১৭১২-১৫৬০০৫

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল

‘ষ্ট্রেংদেনিং অফ সাপোর্ট সার্ভিসেস ফর কমব্যাটিং এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ( HPAI ) ইন বাংলাদেশ’

   এসএসসিএআইবি প্রকল্পে একজন ভেটেরিনারি অফিসার ও ২জন ফিল্ডম্যান বর্তমানে কাজ করছেন। ভেটেরিনারি অফিসার সরাসরি   ডি.এল.ও  এর  তত্তাবধানে   কাজ  করেন এবং ২জন ফিল্ডম্যান আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রাণিসম্পদ  কর্মকর্তার  তত্তাবধানে কাজ  করে  থাকেন ।  তাদের  কাজ  তদারক  করেন  ভেটেরিনারি  অফিসার।  ভেটেরিনারি  অফিসার  ইউ.  এল. ও  এবং  এ. আই  ওয়ার্কারদের সহযোগীতায় নিম্নোক্ত কাজ সম্পন্ন করেন এবং অন্যান্য  উপজেলাগুলোতেও মাঝে মাঝে খামার ভিজিট করে থাকেন।

         ১।   পোল্ট্রি কাঁচা বাজারের একটিভ সার্ভিলেন্স কার্যক্রম পরিচালনা করা।

         ২।   বাণিজ্যিক পোল্ট্রি খামার ও পারিবারিক পোল্ট্রি খামারের পরিদর্শন করা।

         ৩।   পোল্ট্রি খামারীদের এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা, জীব নিরাপত্তা ও অন্যান্য রোগ সম্পর্কে সচেতনতা করা।

         ৪।   কাঁচা বাজার ও পোল্ট্রি খাবারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে উদ্বুদ্ধ করা।

         ৫।   জেলা ভেটেঃ হাসপাতালের গবেষণাগারে এক্টিভ সার্ভিলেন্স এর সময় সংগৃহীত সন্দেহজনক  নমুনার রেপিড  ফ্লু  ডিটেকশন  

                পরীক্ষা করা।

         ৬।   জেলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে স্ট্যাম্পিং আউট এ সহায়তা করা।

         ৭।   ক্ষতিগ্রস্থ  পারিবারিক ভবে পোল্ট্রি পালনকারীদের পুর্নবাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহায়তা করা।

         ৮।   নিয়মিত খামার, কাঁচা বাজার ও পারিবারিক পোল্ট্রির পরিদর্শনের পর প্রতিবেদন নির্ধারিত ফরমে তৈরী করে  

                ডি.এল.ও এর মাধ্যমে প্রকল্প পরিচালক বরাবর প্রেরণ করা।

         ৯।   জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে  একটিভ সার্ভিলেন্স নেটওয়ার্ক প্রোগ্রাম  এর আওতায় যে কোন প্রকার কার্যক্রম  

                পরিচালনা।

যদিও এই প্রকল্পের কাজ পুরো জেলা জুরে হওয়ার কথা, লোকবল মাত্র ২জন থাকার কারনে কাজ নিয়মিত হচ্ছে ২ উপজেলায়। বাকী  উপজেলায় তেমন কোন কাজ হচ্ছে না।  

এই প্রকল্পের আওতায় পারিবারিক হাঁস-মুরগী পালনকারীদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় ৫০৬ জন পারিবারিক হাঁস-মুরগী পালনকারী ও ক্ষুদ্র খামারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান ও উপকরনাদি বাবদ ২৪,৩৭,০০০/= টাকা ব্যয় করা হইয়াছে।

               

এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রিপেয়ার্ডনেস এন্ড রেসপন্স প্রজেক্টঃ-


 কুমিল্ল­া জেলার ৮টি উপজেলায় এই প্রকল্পের কাজ চালু রয়েছে।  উপজেলা গুলো হচ্ছে,আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং, চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট,  চান্দিনা ও দাইদকানিদ। সদর  দক্ষিণ  উপজেলায় ২জন, নাঙ্গলকোট উপজেলায় ৪জন এবং অন্য ৬টি উপজেলায় ৩জন করে সর্বমোট ২৪জন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ওয়ার্কার নিয়োজিত আছে। উপজেলায় নিয়োজিত কর্মিদের কাজের তদারকি করেন ২ জন এ.ভি.এস। বর্তমানে ১ জন এ.ভি.এস  কর্মরত আছেন। তাহারা নিম্নোক্ত কাজ সমূহ সম্পন্ন করেন।

           ১।    নির্ধারিত উপজেলায় একটিভ সার্ভিলেন্স কার্যক্রম পরিচালনা করা।

           ২।    এ.আই ওয়ার্কারস্, খামারী এবং অন্যান্য  সূত্র  থেকে  HPAI  সন্দেহকৃত  প্রাপ্ত  তথ্য র্পালোচনা  পূর্বক দ্রুত সন্দেহকৃত খামার / পারিবারিকভাবে  পালিত  হাঁস  -  মুরগীর  নমূনা  সংগ্রহপূর্বক  জরুরী  ভিত্তিতে  নিকটস্থ   জেলা  ভেটেরিনারি হাসপাতাল / এফ.ডি.আই.এল /  সি.ডি.আই.এল-এ উপজেলা/ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে  প্রেরণ।

           ৩।   সার্ভিলেন্স  কার্যক্রমের সকল প্রতিবেদন ডি.এল.ও এর মাধ্যমে সহকারী পরিচালক, ইপিডিমিওলজি ইউনিট, ডি.এল.এস এ প্রেরণ।

           ৪।   পোল্ট্রি ফার্ম পরিদর্শন ও পারিবারিক খামার পরিদর্শন,খামারীদের মধ্যে জীব নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি।

           ৫।   নির্ধারিত জেলা / উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে একটিভ সার্ভিলেন্স নেটওয়ার্ক প্রোগ্রাম এর আওতায় যে কোন প্রকার দায়িত্ব পালন।

           ৬।   বিভাগীয় প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ।

        

ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রজেক্টঃ-

   কুমিল্ল­া জেলার ৬টি  উপজেলায়  এই  প্রকল্পের  কার্যক্রম  চলছে। উপজেলাগুলো  হচ্ছে- আদর্শ সদর, লাকসাম, চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, চান্দিনা ও দাউদকান্দি। এই প্রকল্পের যাবতীয় কাজ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সম্পন্ন করেন। এই প্রকল্পে মাঠ  পর্যায়ে কাজ  করার জন্য প্রতি ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবী হিসাবে ‘‘কমিউনিটি এক্সটেনশন এজেন্ট ফর লাইভষ্টক’’ ( CEAL)নিয়োগ করা আছে।


প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে যে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়ে থাকে সেগুলো হলোঃ-

১।   কৃষক প্রশিক্ষণ।

২।   প্রযুক্তি প্রদর্শনী।  

৩।   ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন।  

৪।   ডিওয়ারমিং ক্যাম্পেইন

৫।   উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ।

৬।   প্রযুক্তি মেলা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার দপ্তর

রামমালা, কুমিল্লা।