মেনু নির্বাচন করুন

প্রকৃতি কন্যা সিলেট

ডাউনলোড ব্র্যান্ড বুক

ছবিতে জেলা ব্র্যান্ডিং


বিস্তারিত


কর্ম-পরিকল্পনা ছক

 

কার্যক্রম

কর্মসম্পাদন সূচক

দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি

মেয়াদ

অর্থায়ন

সহয়তাকারী

সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে মতবিনিময় এবং ব্র্যান্ডিং এর বিষয় নির্দিষ্টকরণ

মতবিনিময় অনুষ্ঠিত এবং বিষয় নির্ধারিত

 

তোমধ্যে অনুষ্ঠিত এবং বিষয় নির্ধারিত

 

 

 জেলা ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ ও বিভিন্ন কমিটি ও উপকমিটি গঠন

ফোকালপয়েন্ট ও বিভিন্ন কমিটি গঠিত

জেলা কমিটি

 এপ্রিল-২০১৭

 

 

নাম,লোগো ও ট্যাগলাইন নির্ধারণ

 নাম লোগো ও

ট্যাগ-লাইন নির্ধারিত

 

সংশ্লিষ্ট কমিটি

 

এপ্রিল-২০১৭

 

বেসরকারি

 

উদ্দেশ্য ওকাঙ্খিত ফলাফল নির্ধারণ

উদ্দেশ্য ও কাঙ্খিত ফলাফল নিধারিত

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

এপ্রিল ২০১৭

 

সরকারি/

বেসরকারি

 

সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা প্রণয়ন

পরিকল্পনা প্রণীত

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

এপ্রিল-২০১৭

 

 

পর্যটনকে ব্র্যান্ড করার ক্ষেত্রে  SWOT বিশ্লেষণ

এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

এপ্রিল-২০১৭

 

 

জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে ব্র্যান্ডিং এর সাথে সম্পৃক্তকরণ

উদ্যোগ গৃহীত

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

চলমান

 

 

পর্যটনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা

গবেষণা প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

মে-২০১৭

সরকারি/

বেসরকারি

 

ব্র্যান্ড-বুক প্রণয়ন

সিলেট জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের যাবতীয় তথ্য অন্তর্ভূক্ত করা

সংশ্লিষ্ট কমিটি

 

মে-২০১৭

 

 

----------

 

প্রচার

প্রচারের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গৃহীত

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

চলমান

সরকারি/

বেসরকারি

 

মিডিয়াসহ জেলার সকল অংশীদার

পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

দায়িত্ব অনুয়ায়ী কর্ম সম্পাদিত, অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রণীত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

চলমান

সরকারি/

বেসরকারি

জেলার সকল স্তরের জনগণ

বাস্তবায়ন তদারকি ও পরিবীক্ষণ

পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

চলমান

 

 

অগ্রগতি মূল্যায়ন ও পরিকল্পনা সংশোধন

মূল্যায়ন প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট কমিটি

চলমান

সরকারি/

বেসরকারি

 

 

জেলা ব্র্যান্ডিং এর কর্মপরিকল্পনা


প্রকৃতি কন্যা সিলেট

. ভূমিকা

হযরত শাহজালাল (রঃ) ও হযরত শাহপরান (রঃ) সহ ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতি বিজড়িত সিলেট সর্বসাধারণের কাছে ‘পূণ্যভূমি’ হিসেবে পরিচিত। একে আধ্যাতিক নগরীও বলা হয়। পাহাড়-টিলা, চা-বাগান ও সবুজ বনানী পরিবেষ্টিত সিলেটকে বলা হয় প্রকৃতি কন্যা। এই এক নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। খাসিয়া, মণিপুরি, পাত্র সম্প্রদায়ের কৃষ্টি-কালচার এই জেলার অনন্য সাধারণ বৈশিষ্ট্য। পাথর, বালি ও প্রাকৃতিক গ্যাসের আঁধার এ সিলেট জেলা। সিলেটের বালি (সিলেট সেন্ডস হিসেবে পরিচিত) বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ। এখানের হাওর-বাওরে প্রচুর পরিমাণ মৎস্য সম্পদ রয়েছে। তাছাড়া শীতলপাটি, সাতকড়া, মণিপুরি তাঁত বস্ত্র ও কমলার জন্য সিলেট বিখ্যাত। এখানে রয়েছে অনেক আকর্ষণীয় ও মনকাড়া পর্যটন স্পট। এ সকল পর্যটন স্পটে বিপুল সংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক বেড়াতে আসেন। পর্যটন শিল্প পরিকল্পিতভাবে বিকশিত করতে পারলে সিলেট বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রাখবে। সিলেটের প্রায় ১০ লাখ প্রবাসী কর্তৃক প্রেরিত রেমিটেন্স এ জেলার অর্থনীতির ভিতকে মজবুত করেছে। নিজস্ব বর্ণমালা “নাগরী” সিলেটের ঐতিহ্য ও অহংকার।

 

. সিলেট জেলা-ব্র্যান্ডিংএর উদ্দেশ্যঃ

সিলেট জেলা ব্র্যান্ডিং এর মূল উদ্দেশ্যগুলো হলঃ

  • সিলেট জেলার পর্যটন শিল্পের বিকাশ যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গতি সঞ্চার করবে
  • জেলার অর্থনৈতিক, সামাজিক, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি
  • সিলেট জেলার ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিনির্মাণ
  • সিলেট জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির লালন ও বিকাশ
  • স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি
  • জেলার সর্বস্তরের মানুষকে উন্নয়নের অভিযাত্রায় সম্পৃক্ত করা
  • দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দূরীকরণ
  • সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা

 

  1.  

 

  • কেন্দ্র করে ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং নৃতাত্ত্বিক বিষয় সম্পৃক্ত করে জেলা-ব্র্যান্ডিংয়ের বিষয় নির্বাচন করা হয়েছে।

. সিলেট জেলার পর্যটক আকর্ষণসমূহ

সিলেট জেলার পর্যটক আকর্ষণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে দেয়া হলো:

. জাফলং

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের আধার জাফলং পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। সড়কপথে সিলেট হতে জাফলং এর দূরত্ব ৫৬ কিমি। এটি ভারত বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার।

 

. লালাখাল

সিলেট শহর হতে প্রায় ৩৫ কি.মি. দূরে জৈন্তাপুর উপজেলায় লালাখাল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি।পাহাড়, নদী, চা-বাগান ও নানা জাতের বৃক্ষের সমাহার এই স্থানটিকে পর্যটকদের কাছে করেছে আকর্ষণীয়। লালাখালের নীলাভ পানি একে দিয়েছে আলাদা স্বাতন্ত্র।

 

. রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট

গোয়াইনঘাট উপজেলার রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট। সিলেট শহর হতে হরিপুর হয়ে এর দূরত্ব প্রায় ৩০ কি.মি। বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও সরিসৃপ এর অভয়াশ্রম।

 

. বিছনাকান্দি

সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী পানি-পাথরের নতুন ভ্রমণ গন্তব্য বিছনাকান্দি। সড়ক পথে সিলেট শহর হতে শালুটিকর গোয়াইনঘাট রাস্তা দিয়ে ৩০ কিমি এবং সারিঘাট রাস্তা দিয়ে ৬৭ কিমি। বাকি ৩ কি.মি নৌকা যোগে যেতে হয়।

 

. পান্তুমাই

পান্তুমাই ঝর্ণা সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। এটি জাফলং থেকে প্রায় ২৫ কি.মি এবং সিলেট শহর থেকে ৬৮ কি.মি দূরে অবস্থিত।

 

চ. ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি

সিলেট জেলাধীন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ দেশের অন্যতম বৃহৎ পাথর কোয়ারি। দূর পাহাড়ের কোল ঘেঁষে অবস্থিত বিস্তীর্ণ এলাকার স্বচ্ছ পানি ও পাথরের অবস্থান নিয়ে অনন্য রূপ ধারণ করেছে ভোলাগঞ্জের এই পাথর কোয়ারি। সিলেট হতে এর দূরত্ব প্রায় ৩৫ কি.মি।

 

 

. হাকালুকি হাওর

হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর। সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা এবং মৌলভীবাজার বড়লেখা ও কুলাউড়া উপজেলা জুড়ে এটি বিস্তৃত। এ হাওরে শীত মৌসুমে হাজার হাজার অতিথি পাখি আসে।

 

. হযরত শাহ জালাল (রঃ) এর মাজার

বিশ্বখ্যাত ধর্ম প্রচারক ও সুফী সাধক হযরত শাহজালাল (রঃ) -এর মাজার শরীফ সিলেট শহরের দর্শনীয় স্থান।সারা বছরই এখানে পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে।

 

 

. হযরত শাহ পরাণ (রঃ) এর মাজার

হযরত শাহ্পরাণ (র.) এর মাজার শরীফ খাদিমপাড়ায় অবস্থিত। সিলেট শহরের প্রায় ৮ কি.মি পূর্ব দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের পাশে এর অবস্থান।সারা বছরই এখানে পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে।

 

. ক্বীন ব্রিজ আলী আমজাদের ঘড়ি

সিলেটের প্রবেশদ্বারে অবস্থিত ঐতিহাসিক ক্বীন ব্রিজ ও আলী আমজাদের ঘড়ি।১৯৩৬ সালে ব্রিজটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হয়। ১৮৭৪ সালে তৎকালিন কুলাউড়ার জমিদার আলী আমজাদ ঘড়িটি স্থাপন করেন।

 

. শ্রী চৈতন্য দেব এর বাড়ী মন্দির

বৈষ্ণব ধর্মের মহান সাধক ও সংস্কারক শ্রী চৈতন্যের পৈতৃক বাড়ী গোলাপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহাসিক তীর্থস্থান হিসেবে প্রতিবৎসর এ মন্দিরে হাজার হাজার পর্যটক যাতায়াত করেন।

 

 

. চা বাগান  

সিলেট জেলায় ২০টি ছোট-বড় চা বাগান রয়েছে। সিলেটের মালনীছড়া উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান। চা বাগান এলাকা পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। 

 

. নাজিমগড় রিসোর্ট

সিলেট জেলায় অবস্থিত অত্যাধুনিক রিসোর্ট।

 

 

. এক্সেলসিয়র

সিলেট জেলায় অবস্থিত আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র ও রিসোর্ট।

 

 

. শুকতারা

সিলেট জেলায় অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন রিসোর্ট।

 

. পর্যটনকে জেলা ব্র্যান্ড হিসেবে নির্বাচনের যৌক্তিকতাঃ

প্রকৃতির অকৃপণ রূপ-লাবণ্যে ঘেরা সিলেট। পর্যটন শিল্পে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভারত সীমান্ত ঘেরা অঞ্চলটি প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য্যরে আঁচলে ঢাকা। যেখানে পর্যটকরা মুগ্ধ হন, প্রেমে পড়েন শীতল প্রকৃতির এই লীলা ভূমিতে। সিলেটের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্রকৃতির রূপ-লাবণ্যের অপূর্ব সৌন্দর্য্যরে ভান্ডার। এখানকার নৈসর্গিক প্রাকৃতিক শোভা অতি সহজে মুগ্ধ করে পর্যটকদের। এখানে রয়েছে নয়নাভিরাম জাফলং, দেশের সবচেয়ে বৃহৎ হাওর হাকালুকি হাওর, উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান যা মালনীছড়ায় অবস্থিত।  তাছাড়া রয়েছে লালাখাল, রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট, পানি-পাথরের ভ্রমন পথ বিছানাকান্দি সহ অনেক পর্যটন স্পট। পর্যটনকে ব্র্যান্ড করা হলে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে:

  • পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে
  • স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি হবে
  • অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে
  • কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে
  • জেলার অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে গতি সঞ্চার হবে  
  • দেশে-বিদেশে সিলেটের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে

 

. লোগো ট্যাগলাইন:

 

 

 

 

 

                                                লোগো

ট্যাগ লাইন: “আলোর বন্যা প্রকৃতি কন্যা

                                        “The Land of Natural Beauty”

 

পূন্যভুমি হিসেবে খ্যাত সিলেট জেলায় রয়েছে হযরত শাহজালাল (রঃ) ও হযরত শাহপরান (রঃ) সহ অনেক আউলিয়ার মাজার, অনাবিল সৌন্দর্যের লীলাভূমি জাফলং, অসংখ্য পাথরকোয়ারি, চাবাগান সহ নানা বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রাকৃতিক স্থান। সিলেট জেলার এই নয়নাভিরাম স্থানগুলো পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় স্পট এবং পুন্যার্থীদের জন্য তীর্থভূমি স্বরূপ।

 

. সিলেট জেলার পর্যটন শিল্পের বর্তমান অবস্থা:

প্রাকৃতিক ভাবেই সৃষ্টি হওয়া সিলেটের পর্যটন স্পটগুলোর অনেক গুলোরই কোনো কর্তৃপক্ষ নেই, পর্যটন কর্পোরেশনেরও নিয়ন্ত্রণ বা দেখভাল নেই ওই সব স্পটে। ফলে অরক্ষিত অবস্থাতেই রয়েছে এগুলো। সিলেটে পর্যটন পুলিশের কার্যক্রম চালুর ব্যাপারে বিভিন্ন সময় ঘোষণা দেয়া হলেও তা অদ্যাবধি কার্যকর হয়নি। অপার সম্ভাবনা সত্ত্বেও সিলেটে পর্যটন শিল্পের তেমন বিকাশ ঘটছে না। পর্যটন নগরী হিসেবে স্বীকৃতি না-পাওয়া, নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থা, দুর্বল অবকাঠামো ও উদ্যোগের অভাবে এখনো সেই অনুপাতে আসছেন না দেশী-বিদেশী পর্যটক। বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কেবল পরিকল্পনার অভাবে বিদেশী পর্যটক আকৃষ্ট করা যাচ্ছে না।

 

. কাঙ্ক্ষিত ফলাফলঃ

 

পর্যটনকে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নিম্নোক্ত ফলাফলসমূহ অর্জনের লক্ষ্যে সার্বিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে:

  • পর্যটকদের আগমনের হার ২৫% বৃদ্ধি করা
  • পর্যটন ক্ষেত্রে বার্ষিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ২৫০০ জন
  • যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন
  • উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন
  • স্থানীয় পর্যটনে প্রবৃদ্ধি ২৫%

 

০৯. সিলেট জেলা-ব্র্যান্ডিং কর্ম-পরিকল্পনাঃ

পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে পরিকল্পনাকে নিন্মোক্ত তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে:

  • স্বল্পময়াদী ০৬ মাস
  • মধ্যময়াদী ০১ বছর ০৬ মাস
  • দীর্ঘমেয়াদী ৩ বছর

 

 

কর্ম-পরিকল্পনা ছক

 

কার্যক্রম

কর্মসম্পাদন সূচক

দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি

মেয়াদ

অর্থায়ন

সহয়তাকারী

সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে মতবিনিময় এবং ব্র্যান্ডিং এর বিষয় নির্দিষ্টকরণ

মতবিনিময় অনুষ্ঠিত এবং বিষয় নির্ধারিত

 

তোমধ্যে অনুষ্ঠিত এবং বিষয় নির্ধারিত

 

 

 জেলা ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ ও বিভিন্ন কমিটি ও উপকমিটি গঠন

ফোকালপয়েন্ট ও বিভিন্ন কমিটি গঠিত

জেলা কমিটি

 এপ্রিল-২০১৭

 

 

নাম,লোগো ও ট্যাগলাইন নির্ধারণ

 নাম লোগো ও

ট্যাগ-লাইন নির্ধারিত

 

সংশ্লিষ্ট কমিটি

 

এপ্রিল-২০১৭

 

বেসরকারি

 

উদ্দেশ্য ওকাঙ্খিত ফলাফল নির্ধারণ

উদ্দেশ্য ও কাঙ্খিত ফলাফল নিধারিত

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

এপ্রিল ২০১৭

 

সরকারি/

বেসরকারি

 

সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা প্রণয়ন

পরিকল্পনা প্রণীত

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

এপ্রিল-২০১৭

 

 

পর্যটনকে ব্র্যান্ড করার ক্ষেত্রে  SWOT বিশ্লেষণ

এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

এপ্রিল-২০১৭

 

 

জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে ব্র্যান্ডিং এর সাথে সম্পৃক্তকরণ

উদ্যোগ গৃহীত

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

চলমান

 

 

পর্যটনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা

গবেষণা প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

মে-২০১৭

সরকারি/

বেসরকারি

 

ব্র্যান্ড-বুক প্রণয়ন

সিলেট জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের যাবতীয় তথ্য অন্তর্ভূক্ত করা

সংশ্লিষ্ট কমিটি

 

মে-২০১৭

 

 

----------

 

প্রচার

প্রচারের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গৃহীত

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

চলমান

সরকারি/

বেসরকারি

 

মিডিয়াসহ জেলার সকল অংশীদার

পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

দায়িত্ব অনুয়ায়ী কর্ম সম্পাদিত, অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রণীত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

চলমান

সরকারি/

বেসরকারি

জেলার সকল স্তরের জনগণ

বাস্তবায়ন তদারকি ও পরিবীক্ষণ

পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট

কমিটি

চলমান

 

 

অগ্রগতি মূল্যায়ন ও পরিকল্পনা সংশোধন

মূল্যায়ন প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট কমিটি

চলমান

সরকারি/

বেসরকারি

 

 

 

 

ক) সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে মতবিনিময় এবং ব্র্যান্ডিং এর বিষয় নির্দিষ্টকরণ :

জেলার সকল স্তরের জনগণের অংশগ্রহণে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্র হিসেবে পর্যটনকে নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

) একজন  জেলা ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ ও বিভিন্ন কমিটি ও উপকমিটি গঠন:

প্রাথমিকভাবে খসড়া জেলা-ব্র্যান্ডিং কৌশলপত্রের আলোকে জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), সিলেটকে ফোকাল পয়েন্ট করা হয়েছে এবং পাশাপাশি অন্যান্য উপকমিটি গঠনের কাজটি চলমান রয়েছে।

গ) নাম, লোগো, ট্যাগলাইন নির্ধারণ :

ব্র্যান্ডিং এর জন্য নির্ধারিত বিষয় পর্যটনের উপর ভিত্তি করে শুরুতেই উল্লিখিত লোগো ও ট্যাগলাইন নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

ঘ)  ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্য ও কাঙ্খিত ফলাফল নির্ধারণ :

        পর্যটনকে ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্য ও কাঙ্খিত ফলাফল শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে।

 

) সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা প্রণয়ন:

প্রত্যেকটি কাজকে চিহ্নিত করে কে কখন সম্পাদন করবে তা নির্ধারণ এবং কর্মসম্পাদন সূচক ঠিক করে একটি তিন বছর মেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে।  ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমকে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেয়ারও চেষ্টা পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

 

) পর্যটনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা :

সার্বিক পরিকল্পনার স্বার্থে সিলেট জেলার পর্যটনের বর্তমান অবস্থা যেমন: উদ্যোক্তা, অবকাঠামোসহ সার্বিক বিষয়ে ইতোমধ্যে গবেষণা শুরু হয়েছে। আশা করা যায় আগামী মে ২০১৭-এর মধ্যে তা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

 

 

 

 

 

 

 

ছ) সোয়াট (SWOT) বিশ্লেষণ :

সিলেট জেলার পর্যটনের সোয়াট বিশ্লেষণ নিম্নরূপ:

 

১) শক্তি

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য : জাফলং, রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট, রূপময় বিছনাকান্দি, পান্তুমাই বড়হিল ঝর্ণা, ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি, লালাখাল, লোভাছড়া চা বাগান, ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওর, শহরতলীর লাক্কাতুরা মালনীছড়া চা বাগান খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান ইত্যাদি সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে স্বাতন্ত্র রূপ দিয়েছে

ঐতিহ্য : সিলেটর সাথে জড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক নানা ঘটনা সিলেট বিজয়ী বীর সাধক হযরত শাহজালাল (রা.) মাজার রয়েছে শহরের প্রাণকেন্দ্রে পথে পথে ছড়িয়ে আছে তার সিলেট বিজয়ের স্মারক হযরত শাহজালাল (রা.) এর কাছে পরাজিত গৌড়ের রাজা গৌবিন্দের রাজ প্রাসাদের চিহ্ন এখনও টিকে আছে নগরীতে আছে তার পালিয়ে যাওয়ার পথের চিহ্নও জৈন্তার প্রতাপশালী নারী রাজ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জৈন্তা রাজবাড়ি তাছাড়া ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, দেশভাগ, ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধে রয়েছে সিলেটের গৌরবময় সক্রিয় অংশগ্রহণ মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় স্মৃতির অংশ হয়ে আছে হবিগঞ্জের মাধবপুরের তেলিয়াপাড়া চা বাগান এখানেই প্রথম মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়

এছাড়া নগরীর বুকে এখনো টিকে আছে রায়নগর মীর্জাজাঙ্গাল রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ চলছে এসব প্রত্মতাত্ত্বিক নির্দশন গবেষকদের চোখেই আকর্ষণীয় নয়, সাধারণ পর্যটককেও টেনে নিয়ে যায় ইতিহাসের পাতায়

 

নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী: নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বৈচিত্রময় জীবনধারা সিলেটের পর্যটন ক্ষেত্রকে আরো সমৃদ্ধ করেছে সিলেটে বসবাসকারী মণিপুরী, খাসিয়া, লালেং বা পাত্র, চা শ্রমিক, ওরাঁও সম্প্রদায়ের জীবন বৈচিত্র্য বর্ণিল করেছে এখানকার পর্যটনকে মণিপুরীদের তাঁতশিল্প, মাতৃতান্ত্রিক খাসিয়া সম্প্রদায় চা শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা পর্যটকদের মূগ্ধ করে ওরাঁও, লালেং চা শ্রমিকদের মাটির তৈরি আর খাসিয়াদের মাচার উপর তৈরি ঘর দেখে পর্যটকরা বিমোহিত হন খাসিয়া মণিপুরী সম্প্রদায়ের লোকজনের পরিধেয় পোশাকও ভিন্ন

 

শ্রমিকের সহজ প্রাপ্যতা : সিলেট জেলাতে খুব সহজেই শ্রমিক পাওয়া সম্ভব। কারণ সিলেট জেলাসহ আশেপাশের অনেক জেলার বহু জনগণ এখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে।

 

২) সম্ভাবনা

আবাসন ব্যবসার উন্নয়ন : প্রতি বছর দেশ-বিদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক এখানকার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য আসেন। কিন্তু পর্যটন মৌসুমে আবাসন ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে সংকট সৃষ্টি হয়। পর্যটন বিকাশে আবাসন ক্ষেত্রে এখানে ব্যবসার প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।  

ইকোপার্ক স্থাপন : কোম্পানিগঞ্জ এর ভোলাগঞ্জসহ আরো নানা জায়গায় কয়েকটি ইকোপার্ক স্থাপন করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা আছে। এই পার্কগুলোর মাধ্যমে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব।

পর্যটক গাইড ও ফটোগ্রাফি ব্যবসা : সিলেট জেলা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এমন অনেক স্থান যেগুলো সৌন্দর্য-পিপাসু পর্যটকদের আকর্ষণ করে। কিন্তু সেসব স্থানে ঘুরে আসার পথে অন্তরায় হিসেবে  কাজ করে পরিচিতির অভাব এবং অচেনা রাস্তাঘাট। এই সম্ভাবনাময় সুযোগ কাজে লাগিয়ে এখানে পর্যটক গাইড ব্যবসার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এছাড়াও পর্যটকদের ছবি তোলার ক্ষেত্রে  ফটোগ্রাফি ব্যবসার এক উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

মনিপুরী তাঁতবস্ত্র ও বাঁশ-বেতের সামগ্রী :  সিলেটসহ সারাদেশেই মণিপুরিদের তৈরী হস্তশিল্প খুবই জনপ্রিয়, যা পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বর্তমানে বাংলাদেশের বাঁশ-বেতের আসবাপত্রের চাহিদার সিংহভাগ যোগান দেয় সিলেটের বাঁশ-বেত শিল্প। অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরন করে বর্তমানে সিলেটের বাঁশ-বেত সামগ্রী আমেরিকা, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। সিলেটে বর্তমানে প্রায় ৫০ প্রকারের বাঁশ-বেত জাতীয় পণ্য তৈরী হয়। মনিপুরী তাঁতবস্ত্র ও বাঁশ-বেত সামগ্রীর উন্নয়নের মাধ্যমে পর্যটকদের আরো বেশি আকৃষ্ট করা সম্ভব।

বিনোদনের  সুব্যবস্থা : বিভিন্ন পর্যটন স্পটে বিনোদনের সুযোগ সুবিধা অপর্যাপ্ত। এসব স্পটে বসা ও আড্ডা দেওয়ার মত কোন বসার ব্যবস্থা নেই যা আসলে পর্যটকদের বিনোদনের জন্য অনেক দরকারি। এ ব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।

ডিজিটাল নগরী : সিলেটকে ডিজিটাল নগরীতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলমান, যা বাস্তবায়ন হলে পুরো নগরী ওয়াই-ফাই এর আওতায় আসবে যা পর্যটকদের ভ্রমণ আবাসন সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তিকে অনেক সহজলভ্য করে দিবে

পিকনিক স্পটের উন্নয়ন : বিভিন্ন পর্যটন স্পটে পিকনিক স্পটের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। একারণে পিকনিকের উদ্দেশ্যে আগত বিপুল-সংখ্যক দর্শনার্থীদের অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। পিকনিক স্পটের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে আধুনিক সুবিধা-সংবলিত পিকনিক স্পট তৈরি করা হবে।

পর্যটন ভিলেজ স্থাপন : কক্সবাজারের সম্ভাবনা বিচার করে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন “ইন্টিগ্রেটেড ট্যুরিজম এন্ড এন্টারটেইনমেন্ট ভিলেজ” স্থাপনের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। একইভাবে জাফলং এর সম্ভাবনা বিচার করে এ ধরণের পর্যটন ভিলেজ স্থাপন করা হবে।

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর : সম্প্রতি সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাই পর্যন্ত চালু হয় সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। পর্যটকদের সুবিধার্থে অন্যান্য দেশের সাথে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। 

 

৩) দূর্বলতা

অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা: জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল সহ বিভিন্ন পর্যটনস্থলে যাতায়াত ব্যবস্থা অনুন্নত হওয়ায় পর্যটকরা অনেক কষ্টের স্বীকার হন যা ভ্রমণ ক্লান্তি বহুগুণে বৃদ্ধি করে।

হোটেল ও খাবারের মূল্য নিয়ন্ত্রণের অভাব: পিকনিক স্পটগুলোতে ভালোমানের হোটেল-মোটেল বা রেস্তোরা নেই। এবিষয়ে বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন। পিকনিক স্পটের আরও কিছু দূর্বলতা নিম্নরূপ :

পার্কিংয়ের স্থান

নির্দিষ্ট কোন স্থান নাই এবং যত্রতত্র পার্কিং করা হয়।

স্বাস্থ্য কেন্দ্র

প্রয়োজনীয় কোন স্বাস্থ্য কেন্দ্র নেই।

পাবলিক টয়লেট

পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেটের অভাব।

পোশাক পরিবর্তনের স্থান

পোশাক পরিবর্তনের কোন স্থান নেই।

বিদ্যুৎ সরবরাহ

বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন দূর্বল হওয়ায় ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ

বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খুব একটা ভালো নয়।

 

৪) ঝুঁকি

নিরাপত্তা ব্যবস্থা: সিলেট জেলার পর্যটন ব্যবসার উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয় দর্শনীয় স্থানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে । স্থানের সৌন্দর্য পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহী করে তোলে । কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব পর্যটকদের জাফলংসহ অন্যান্য দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণে অনুৎসাহিত করে তোলে।

পরিবেশ দূষণ: পিকনিক স্পটে বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকতে দেখা যায় দর্শনার্থীদের ব্যবহৃত জিনিসের অপ্রয়োজনীয় অংশ যেমন- চিপসের প্যাকেট, বিভিন্ন পণ্যের মোড়ক, পানির বোতলসহ আরও অনেক কিছু। এগুলো যেমন পর্যটন স্পটসমূহের সৌন্দর্যের অন্তরায় ঠিক তেমনি বিক্ষিপ্তভাবে স্টোন ক্রাশার স্থাপনের ফলে জাফলং, ভোলাগঞ্জ পর্যটন এলাকায় বায়ুদূষণ, শব্দদূষণসহ পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে।

 

জ) জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মুল্যবোধকে ব্র্যান্ডিং এর সম্পৃক্তকরণ: পর্যটন ছাড়াও সিলেট জেলার অনেক অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। পর্যটকরা যেন পর্যটনের পাশাপাশি এসবকিছু উপভোগ করতে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

 

ঝ) ব্র্যান্ড-বুক প্রণয়ন: সিলেট জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের তথ্য, ঘটনা, সার্বিক পরিকল্পনাসহ যাবতীয় পদক্ষেপ ব্র্যান্ড-বুকে অন্তর্ভূক্ত করা হবে যার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগামী জুন ২০১৭-এর মধ্যে তা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঞ) প্রচারণা: সিলেট জেলার পর্যটনকে দেশে এবং দেশের বাইরে পরিচিত করতে নানাবিধ উপায় অবলম্বন করা হবে।

প্রচারণার উপায়সমূহ নিম্নরূপ:

  • স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা
  • বিলবোর্ড
  • ব্যানার
  • ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া
  • জেলার ব্র্যান্ডিং পেজে নিয়মিত তথ্য আপলোড করা
  • মেলার আয়োজন
  • জেলা-ব্র্যান্ডিং উৎসব
  • ওয়েবসাইট তৈরি
  • সকল অনুষ্ঠান জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের আবহে সাজানো
  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান/প্রতিযোগিতার আয়োজন
  • স্থানীয় সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মাধ্যমে প্রচারণা
  • বিভিন্ন স্যুভেনির তৈরি

 

ট) পরিকল্পনা বাস্তবায়ন :

সার্বিক পরিকল্পনা বাস্তবায়রের জন্য নিম্নোক্তভাবে জেলা-ব্র্যান্ডিং বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে

 

সমন্বয় / বাস্তবায়ন কমিটি :

<


Share with :

জেলা প্রশাসক, সিলেট

সভাপতি

পুলিশ সুপার, সিলেট

সদস্য

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সিলেট জেলা পরিষদ

সদস্য

উপপরিচালক,স্থানীয় সরকার, সিলেট

সদস্য

সিভিল সার্জন, সিলেট

সদস্য

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সিলেট

সদস্য

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), সিলেট

সদস্য

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সিলেট

সদস্য