কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:১৫ AM
কন্টেন্ট: পাতা
ক্রমিক | ব্যবসা/বাণিজ্যের খাত | সংক্ষিপ্ত বর্ণনা | প্রধান এলাকা |
১ | চা শিল্প ও চা-বাণিজ্য | সিলেটের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক খাত। চা বাগান থেকে উৎপাদিত চা প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন ও দেশ-বিদেশে সরবরাহের সঙ্গে এ খাতের ব্যবসা জড়িত। | সিলেট সদর, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাটসহ চা-বাগান অধ্যুষিত এলাকা |
২ | শীতলপাটি | সিলেট অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী কুটিরশিল্প ও বিখ্যাত হস্তশিল্পজাত পণ্য। মুর্তা বা পাটি বেতের সরু ও কোমল কাণ্ড শুকিয়ে ও প্রক্রিয়াজাত করে দক্ষ কারিগররা হাতে বুনে শীতলপাটি তৈরি করেন। গরমের সময় মেঝেতে বসা বা শোয়ার জন্য এটি আরামদায়ক ও শীতল অনুভূতি দেয়। | বালাগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, জকিগঞ্জ ও বিশ্বনাথ |
৩ | পাথর ও বালু ব্যবসা | সিলেটের পাহাড়ি নদী ও সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে পাওয়া পাথর ও বালু নির্মাণ খাতের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল। কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাটে এ ব্যবসার উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। | কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর |
৪ | কৃষিপণ্য ও ধান-চালের ব্যবসা | হাওর ও সমতলভূমিতে উৎপাদিত ধান, চাল, শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য জেলার গ্রামীণ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সিলেট জেলা ধান উৎপাদনের জন্যও সমৃদ্ধ। | বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর, গোলাপগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, বিশ্বনাথ প্রভৃতি |
৫ | মৎস্য ব্যবসা ও বাণিজ্য | হাওর, নদী ও জলাশয়ভিত্তিক মৎস্য আহরণ, চাষ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ সিলেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা। | দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জসহ হাওরাঞ্চল |
৬ | পর্যটন ব্যবসা | জাফলং, বিছনাকান্দি, লালাখাল, রাতারগুল, ভোলাগঞ্জসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রকে ঘিরে হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট, পরিবহন, গাইড ও অন্যান্য সেবামূলক ব্যবসা গড়ে উঠেছে। | গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও সিলেট মহানগর |
৭ | হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও আবাসন ব্যবসা | পর্যটন ও প্রবাসী-নির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সিলেট শহরে হোটেল, রেস্টুরেন্ট, শপিং সেন্টার ও আবাসন ব্যবসার বিস্তার ঘটেছে। | সিলেট মহানগর ও পর্যটনকেন্দ্রসমূহ |
৮ | প্রবাসী আয়নির্ভর ব্যবসা ও বিনিয়োগ | বিপুল প্রবাসী জনগোষ্ঠীর পাঠানো রেমিট্যান্স স্থানীয় বাজার, আবাসন, নির্মাণ, ব্যবসা ও বিভিন্ন বিনিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। | সিলেট মহানগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা |
৯ | কাঠ ও আসবাবপত্রের ব্যবসা | কাঠ, আসবাবপত্র ও কাঠজাত পণ্যের ব্যবসা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের SME তথ্যেও কাঠের ব্যবসার সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে | কানাইঘাট, বিয়ানীবাজার, বিশ্বনাথসহ বিভিন্ন এলাকা |
১০ | মুদি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসা | চাল, ডাল, তেল, মসলা, খাদ্যপণ্যসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা জেলার সর্বত্র বিস্তৃত। | সিলেট মহানগর ও সব উপজেলা |
১১ | গ্যাস ও জ্বালানি-ভিত্তিক ব্যবসা | সিলেটের প্রাকৃতিক গ্যাসসম্পদকে কেন্দ্র করে গ্যাস উত্তোলন, বিতরণ এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড গড়ে উঠেছে। জেলার প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে গ্যাস ও তেল উল্লেখযোগ্য। | সিলেট সদর, গোলাপগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও সংশ্লিষ্ট গ্যাসক্ষেত্র এলাকা |
১২ | ফল ও উদ্যানজাত পণ্যের ব্যবসা | বিভিন্ন মৌসুমি ফল, সবজি, চারা ও নার্সারি পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ স্থানীয় ব্যবসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিয়ানীবাজারে নার্সারি ও মৎস্যচাষকে SME সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। | বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, জৈন্তাপুরসহ বিভিন্ন এলাকা |
১৩ | ইট, নির্মাণসামগ্রী ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসা | নগরায়ণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে ইট, রড, সিমেন্ট, নির্মাণসামগ্রী, আবাসন ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। | সিলেট মহানগর ও শহরতলি |
১৪ | হস্তশিল্প ও কুটির শিল্প | বাঁশ-বেত, তাঁত, কারুশিল্প ও অন্যান্য স্থানীয় পণ্যকে কেন্দ্র করে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গড়ে উঠেছে। | জেলার বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকা |
১৫ | সীমান্ত বাণিজ্য | ভারতের সীমান্তবর্তী অবস্থানের কারণে নির্দিষ্ট স্থলবন্দর ও সীমান্তবাজারকে কেন্দ্র করে আমদানি-রপ্তানি ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন ব্যবসা পরিচালিত হয়। | তামাবিল-জৈন্তাপুরসহ সীমান্তবর্তী এলাকা |